ভোট কমিয়ে গণভোটের ফলাফলে বড় সংশোধনী আনল ইসি

ভোট কমিয়ে গণভোটের ফলাফলে বড় সংশোধনী আনল ইসি

গত ১২ জুলাই অনুষ্ঠিত গণভোটের ফলে প্রায় ১১ লাখ ভোট কমিয়ে বড় সংশোধনী এনে গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বৃহস্পতিবার এই গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। তবে গেজেটে এই সংশোধনীর সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

গেজেটে বলা হয়, প্রথম গেজেটের হিসেব অনুযায়ী ‘হ্যাঁ’ ভোটের সংখ্যা ছিল ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০ জন, ‘না’ ভোটের সংখ্যা ছিল ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬ জন। ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ ভোট মিলে সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ২৩ জন। এর মধ্যে বাতিল হয়েছিল ৭৪ লাখ ২২ হাজার ৬৩৭ জন। বাতিল ভোট বাদ দিয়ে মোট বৈধ ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ২ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৬ জন।

সংশোধিত গেজেটের হিসেব অনুযায়ী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের সংখ্যা ৪ কোটি ৭২ লাখ ২৫ হাজার ৯৮০ জন, ‘না’ ভোটের সংখ্যা দাঁড়াবে ২ কোটি ১৯ লাখ ৬০ হাজার ২৩১ জন। ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ ভোট মিলে সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৬৬ লাখ ২১ হাজার ৪০৭ জন। এর মধ্যে বাতিল হয়েছে ৭৪ লাখ ৩৫ হাজার ১৯৬ জন। বাতিল ভোট বাদ দিয়ে মোট বৈধ ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ৯১ লাখ ৮৬ হাজার ২১১ জন।

সংশোধিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, আগের তুলনায় ৯ লাখ ৭৪ হাজার ৬৮০টি ‘হ্যাঁ’ ভোট কমেছে। অন্যদিকে ‘না’ ভোটের সংখ্যা কমেছে ১ লাখ ১১ হাজার ৪৯৫টি। তবে মজার বিষয় হলো, বৈধ ভোট কমলেও বাতিল করা ভোটের সংখ্যা আগের চেয়ে ১২ হাজার ৫৫৯টি বেড়েছে। সার্বিকভাবে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৬১৬টি কমেছে।

অনুমতি না নিয়ে শিক্ষকরা অন্য পেশায় থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

ভোট কমিয়ে গণভোটের ফলাফলে বড় সংশোধনী আনল ইসি

শিক্ষামন্ত্রী আনম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরা অনুমতি না নিয়ে অন্য পেশায় থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে। জাতির দর্পণ হিসেবে গণমাধ্যমে তুলে ধরলে ব্যবস্থা নিতে সহজ হবে।

তিনি শুক্রবার বিকালে চাঁদপুরে কচুয়া উপজেলা পরিষদে আইন শৃঙ্খলা সভায় যোগ দেয়ার পূর্বে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী কারিগরী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে বলেন, বিগত সরকার পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ দেয়নি। দুই-চার মাসের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা করা হবে।

এরআগে শিক্ষামন্ত্রীকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ।

মতলবে মুন্সীরহাট স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে ৩ টি বাসে আগুন

ভোট কমিয়ে গণভোটের ফলাফলে বড় সংশোধনী আনল ইসি

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার মুন্সীরহাট বাস স্ট্যান্ডে জৈনপুর এক্সপ্রেস নামক দাঁড়িয়ে থাকা ৩ টি যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে ছুটে এসে প্রায় আধা ঘন্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আনে। তবে কে বা কীভাবে আগুনের সূত্রপাত তা নিশ্চিত করা যায়নি।

অগ্নিকান্ডে ১টি বাস পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ২টি বাস আংশিক ক্ষতি হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীর জানান, মুন্সীরহাট দক্ষিণ বাজারে স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা জৈনপুর এক্সপ্রেস (ঢাকা মেট্রো ব-(১৫-৩৫৮৪) বাসে আগুন দেখতে পাই স্ট্যান্ডে থাকা অন্যান্য বাসের স্টাফ ও কর্মচারীরা। এ সময় কিছু বুঝে ওঠার আগেই মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে আগুন পুরো বাসে ছড়িয়ে পড়ে। এবং পার্শ্ববর্তী আরও দুটি বাসে আগুন লেগে যায়। এ সময় বাসস্ট্যান্ডের স্টাফ শ্রমিক ও পথচারীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে এবং ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে আধা ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এদিকে পূর্ব শত্রুতার জেরে বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা হয়েছে বলে ধারণা করছে স্ট্যান্ডে থাকা শ্রমিক ও কর্মচারীরা।

মতলব দক্ষিণ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান তুহিন বলেন,, প্রাথমিকভাবে আগুনের লাগার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ নির্ণয় করার যায়নি। দুটি ইউনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

কঙ্গোতে গণকবরে মিলল ১৭১ মরদেহ

ভোট কমিয়ে গণভোটের ফলাফলে বড় সংশোধনী আনল ইসি

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের পূর্বাঞ্চল থেকে এম২৩ বিদ্রোহীরা সরে যাওয়ার পর সেখানে দুটি গণকবরের সন্ধান পেয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও একটি নাগরিক সমাজ সংগঠন।

বৃহস্পতিবার দেশটির উভিরা শহরের উপকণ্ঠে কিরোমনি ও কাভিমভিরা এলাকায় এই গণকবরগুলো থেকে অন্তত ১৭১টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

দক্ষিণ কিভু প্রদেশের গভর্নর জ্যাঁ-জ্যাক পুরুসি জানান, কিরোমনিতে প্রায় ৩০টি এবং কাভিমভিরায় ১৪১টি মরদেহ পাওয়া গেছে। স্থানীয় সংগঠন সিভিলিয়ান প্রোটেকশন নেটওয়ার্কের এক নেতা দাবি করেছেন, নিহতরা এম২৩ বিদ্রোহীদের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন। বিদ্রোহীদের ধারণা ছিল, নিহতরা সরকারি বাহিনী বা সরকারপন্থি মিলিশিয়ার সদস্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তবে এসব অভিযোগ এখনও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। মানবাধিকার সংগঠনগুলো অতীতে কঙ্গোর সেনাবাহিনী ও এম২৩ উভয় পক্ষের বিরুদ্ধেই বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছিল। খনিজসম্পদসমৃদ্ধ এই অঞ্চলটি রুয়ান্ডা সীমান্তের কাছাকাছি হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সংঘাতের কেন্দ্রে রয়েছে।

২০২১ সালে লড়াই তীব্র হওয়ার পর ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে বিদ্রোহীরা উত্তর কিভুর রাজধানী গোমা দখল করে। পরবর্তীতে দক্ষিণ কিভুর বুকাভু ও উভিরাও তাদের নিয়ন্ত্রণে যায়। তবে সম্প্রতি শান্তি প্রক্রিয়ায় সহায়তার কথা বলে বিদ্রোহীরা উভিরা থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। কঙ্গো সরকার এই বিদ্রোহীদের সহায়তার জন্য প্রতিবেশী রুয়ান্ডাকে দায়ী করে আসছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, এই দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৭০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং নিহত হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। পূর্ব কঙ্গোর এই সংঘাত বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ মানবিক সংকটে পরিণত হয়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।